ওয়ান প্লাস ৩ (One Plus 3) রিভিউ

ওয়ান প্লাস  (One Plus 3)  রিভিউ

ওয়ান প্লাস ৩ (One Plus 3) রিভিউ দেয়ার আগে একটি কথা না বললেই নয়, সেটি হল  এর   নজরকাড়া ডিজাইন, দ্রুত চার্জিং অপশন , মোবাইল পেমেন্টের জন্য এনএফসি ফাংসান, যা শুধু প্রিমিয়াম ডিভাইস স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ ও এইচটিসি ১০ এমনকি আইফোন ৬এস এর সঙ্গে লড়াই করে বাজারে টিকে থাকতে সক্ষম হয়েছে।

ওয়ান প্লাস ৩ One Plus 3 রিভিউ

 ডিসপ্লে ও ব্যাটারি নিয়ে কিছুটা অস্বস্তি, মেমরি কার্ডে স্লট না থাকা কিংবা অধিক চাপে গরম হওয়াসহ কিছু বিষয় ছাড়া যারা দীর্ঘস্থায়ীভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারে আগ্রহী তাদের জন্য এ ডিভাইস একটি ভালো অপশন হতে পারে।

২০১৪ সালে ওয়ান প্লাস ওয়ান One Plus One মডেল দিয়েই ওয়ান প্লাস স্মার্টফোন কোম্পানির মার্কেটে প্রবেশ । ওয়ান প্লাস ওয়ান এর আকর্ষণীয় সব ফিচারের অবদানে শুরু থেকেই বেশ দ্রুত এটি অনেক স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মন জয় করে নিতে সক্ষম হয়েছে ।

যদিও ওয়ান প্লাস ২ One Plus 2  এবং ওয়ান প্লাস এক্স One Plus X  স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মাঝে তেমন একটা প্রভাব ফেলতে পারেনি, তারপরেও ফোনগুলির ফিচার ছিলো তুলনামূলক ভালো । যাইহোক , ওয়ান প্লাস কোম্পানির নতুন ওয়ান প্লাস ৩ আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে , কারণ আকর্ষণীয় নতুন এই ফোনের শুরুতেই পাচ্ছেন স্লিক মেটাল ডিজাইন প্রিমিয়াম লুক ফিনিশিং ।

ওয়ান প্লাস ৩ ফোনটিতে থাকছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসর ৷ ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের ফ্ল্যাগশিপটিতে থাকবে ফুল এইচডি ডিসপ্লে। পাশাপাশি থাকবে ৬ জিবি র‍্যাম, ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ ৷ থাকবে ১৬ মেগাপিক্সসল রিয়ার ক্যামেরা ও ৮ মেগাপিক্সসল ফ্রন্ট ক্যামেরা ৷

সহজ ইউজার ইন্টারফেস এবং ফাস্ট ৬ জিবি র‍্যাম সম্পন্ন কাজের গতি ইত্যাদি চলুন তবে দেখে নেই নতুন ওয়ান প্লাস ৩ One Plus 3  সম্পর্কে সকল তথ্য ও রিভিউ।

ভালো দিকঃ

স্মার্টফোনটিতে ডুয়াল কোর ২.১৫ ও ১.৬  গিগাহার্জ কায়রো কোয়ালকম স্নাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যা উচ্চগতির।

ডিভাইসটিতে রয়েছে ৬ জিবি ডুয়াল চ্যানেল র‍্যাম, যা ডিডিআর৪ ফোনের তুলনায় অধিক দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারদর্শী।

নজরকাড়া সুদৃশ্য ডিজাইন

চমৎকার ক্যামেরা

ফাস্ট চার্জিং সুবিধা

খারাপ দিকঃ

মেটালিক ফিনিশিংয়ের জন্য অনেক সময় অতিরিক্ত প্রেশারের ক্ষেত্রে ডিভাইসটি কিছুটা গরম হয়ে পড়ে।

এইচ ডি এমোলেড ডিসপ্লেটির পিক্সেল ঘনত্ব ৪০১।

এক্সটারনাল মেমরি ব্যবহার করার সুযোগ থাকছে না

ডিসপ্লে কালার ন্যাচারাল দেখায় না

Rating

ওয়ান প্লাস কি স্পেসিফিকেশনঃ One Plus 3 Key Specification

  • 1080 x 1920 পিক্সেল ডিসপ্লে রেজুলেশন
  • ৫.৫” অপটিক এইচডি এমোলেড ডিসপ্লে
  • ডুয়েল কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ প্রসেসর ২.১৫ এবং ১.৬ গিগাহার্টজ গতি সম্পন্ন
  • এড্রেনো ৫৩০ মেগাহার্টজ জিপিইউ
  • ৬ গিগাবাইট র‍্যাম
  • ৬৪ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ
  • অক্সিজেন ওএস

 

ওয়ান প্লাস এর ফিচারসমূহঃ One Plus 3 Features

  • ১৬ মেগাপিক্সেল এবং ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা
  • ৩,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি [ নন রিমোভেবল ]
  • স্টাইলিশ মেটাল স্লিক লুক
  • লাইট ওয়েট
  • ইমারজেন্সি সাইলেন্ট বাটন
  • এন্ড্রয়েড মার্শম্যালো ভার্সন
  • 4K ভিডিও সাপোর্ট
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার
  • ড্যাশ চার্জিং

ওয়ান প্লাস এর দাম

 ওয়ান প্লাস ৩ এর দাম বাংলাদেশে  ৩৮,৯০০ টাকা ।

One Plus 3 ওয়ান প্লাস এর রিভিউ/ডিসপ্লে/পারফর্মেন্স/ডিজাইন/ক্যামেরা

 

One Plus 3 ওয়ান প্লাস এর ডিসপ্লে রিভিউঃ

ওয়ান প্লাস ৩ রিভিউ

এর ডিসপ্লে সম্পূর্ণ এইচডি কোয়ালিটির তবে যদি এটি কোয়াড এইচডি হত হয়তো আরো ভালো হত । ২০১৬ সালের পর থেকে সবাই এরকম বাজেটের স্মার্টফোনের মাঝে কোয়াড এইচডি আশা করে এবং অন্যান্য মোবাইল কোম্পানি সেরকম সুবিধাই প্রদান করে চলেছে ।

যাই হোক, অন্যান্য ফিচারগুলো তুলনা করলে এটা খুব একটা বড় ব্যাপার নয় যেখানে আপনি পাচ্ছেন সম্পূর্ণ 4K ভিডিও রেকর্ড করার সুবিধা এবং নন ল্যাগিং ফুল এইচডই ভিডিও প্লে ব্যাক সুবিধা ।

ওয়ান প্লাস ৩-productreviewbd

এর ডিসপ্লে প্ল্যানেল ৫.৫” এবং স্ক্রিন অপটিক এমোলেড প্যানেল এর দ্বারা তৈরি যা সত্যি অসাধারণ। অটো কালার টেম্পারেচার এডজাস্ট স্বল্প আলো কিংবা উজ্জ্বল আলোতে আপনাকে সঠিক লাইট ব্যাকআপ দিতে সক্ষম ।

এবং কালার কোয়ালিটিও অসাধারণ ।

 

One Plus 3 ওয়ান প্লাস এর ডিজাইন রিভিউঃ

ওয়ান প্লাস সবসময়ই তাঁদের নতুন সব স্মার্টফোনের মাঝে আকর্ষণীয় লুক এবং প্রিমিয়াম কোয়ালিটি ফিল রাখারা চেস্টা করে থাকে আর সেই অনুযায়ী ওয়ান প্লাস ৩ এর মাঝেও ব্যাতিক্রম কিছু নেই ।

ওয়ান প্লাস ৩-oneplus_3

অত্যন্ত সুন্দর এর মেটালিক লুক । প্লাস্টিক গ্লাস ফিনিশিং বাদ দিয়ে এর মাঝে সম্পূর্ণ মেটাল ইউনিবডি ফিনিশিং রাখা হয়েছে ।

আর ওয়ান প্লাস থ্রির বডি ফিনিশিং এসেছে অ্যালুমিনিয়ামের সংমিশনে গ্রাফাইটের ৭.৪ মিলিমিটারের পুরু মেটাল বডি যা অনেকটাই আইফোনের সমতুল্য।

৫.৫” ইঞ্চি ডিসপ্লে সাইজ হবার ফলে যারা একটু বড় সাইজের ডিসপ্লের ফোন ভালোবাসেন তাঁদের জন্য আশা করি পারফেক্ট হতে পারে ।

ওজন ১৫৮ গ্রাম। সামনে নিচের দিকে রয়েছে হোম বাটন, ব্যাক ও রিসেন্ট কন্ট্রোল বাটন এবং ফ্লোটেবল সফট কী। বামে রয়েছে ভলিউম আপ ডাউন বাটন ও ইমারজেন্সি সাইলেন্ট বাটন। ডানে পাওয়ার এবং নিচের দিকে হেডফোন জ্যাক ও চার্জিং পোর্ট ।

ডিভাইসটির ফ্রন্ট প্যানেলের উপরের দিকে রয়েছে স্পিকার, সেলফি ক্যামেরা ও প্রক্সিমিটি সেন্সর।

হোম বাটোন রাখা হয়েছে ক্যাপাসিটিভ নেভিগেশন কি সিস্টেম । একদম নিচের দিকে ইউএসবি সি টাইপ পোর্ট এবং হেডফোন জ্যাক এর অডিও পোর্ট রাখা হয়েছে ।

পাওয়ার বাটন রয়েছে ডান পাশে এবং ভলিউম বাটন রয়েছে বাম পাশে । এক কথায় এর ডিজাইন কোয়ালিটি এবং ম্যাটারিয়াল সম্পূর্ণ আধুনিক এবং সুন্দর ।

ফোনটিতে ব্যবহৃত ১০৮০x ১৯২০ পিক্সেল রেজুলেশনের ৫.৫ ইঞ্চি অপটিক এইচ ডি এমোলেড ডিসপ্লেটির পিক্সেল ঘনত্ব ৪০১।

মূলত বর্তমান বাজার চাহিদা অনুসারে ৪০১ পিক্সেলের ডিসপ্লে সচারচর সাধারন বলেই ধরা যায় । একারণে ডিসপ্লেটি থেকে ব্যবহারকারীরা আশানুরূপ সন্তুিষ্ট নাও পেতে পারেন।

One Plus 3 ওয়ান প্লাস এর পারফর্মেন্স কেমন ?

এখন পর্যন্ত কোম্পানিটি তাঁদের মোবাইল ফোনের ক্রেতাদের সবচাইতে ভালো পারফর্মেন্স দেবার চেস্টাই করে আসছে ।

নতুন ওয়ান প্লাস ৩ এর পারফর্মেন্স এর কথা বলতে গেলে শুরুতেই বলবো এর মাঝে রয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮২০ ডুয়েল কোর প্রসেসর এবং এড্রেনো ৫৩০ জিপিউ  ও ৬৪ গিগাবাইট নন এক্সপান্ডেবল স্টোরেজ ।

অভ্যন্তরীণ আপোসহীন কর্মক্ষমতার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে দুটি কোর ও অতিরিক্ত দুই লোয়ার ক্লক। তাই, যেকোন কাজের ক্ষেত্রে স্পীড পাবেন ফাস্ট এবং ভিডিও প্লে ব্যাক কিংবা গেম খেলার সময় ডিভাইস ল্যাগ হবার কোন ঝামেলা নেই বললেই চলে ।

উভয়ই কায়রো কোর ১৪এনএম দ্বারা গঠিত যা পুরোনো কর্টেক্স-এ৫৭ স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ এ ব্যবহৃত কোরের চেয়ে অধিক শক্তিশালী।

 তবে, মেটালিক ফিনিশিংয়ের জন্য অনেক সময় অতিরিক্ত প্রেশারের ক্ষেত্রে ডিভাইসটি কিছুটা গরম হয়ে পড়ে।

আর তারপরেও কোন সন্দেহ থাকলে আশা করি এর ৬ গিগাবাইট ডুয়াল চ্যানেল র‍্যাম এর দুর্দান্ত গতি আপনার কাজ করে দেবে আরো কম সময়ের মাঝে । যেহেতু, ডিভাইসটিতে রয়েছে ৬ জিবি ডুয়াল চ্যানেল র‍্যাম, যা ডিডিআর৪ ফোনের তুলনায় অধিক দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে পারদর্শী।

হার্ডওয়্যারের উপর নির্ভর করে ফোনটিতে থাকবে ইন্টারনাল ৬৪ গিগাবাইট মেমোরি। এতে ডুয়াল সিম সাপোর্ট সুবিধা থাকলেও এক্সটারনাল মেমরি ব্যবহার করার সুযোগ থাকছে না

ভালো মানের সাউন্ড কোয়ালিটির জন্য ব্যবহার করা হয়েছে এক্টিভ নয়েজ ক্যান্সেলেশন ও ডেডিকেটেড মাইক।

এটির সঙ্গে হেডফোন দেওয়া হয় না। কোনো ল্যাগ ছাড়াই ফুল এইচডি ভিডিও প্লেব্যাক করা যায়।

গেইমিং
এতে রয়েছে স্ন্যাপ্নড্রাগন ৮০১ প্রসেসর ও এড্রেনো ৫৩০ জিপিইউ। তাই হাই গ্রাফিক্সের গেইম খেলা যাবে অনায়াসেই।

ট্যাম্পল রান, ফ্রুট নিঞ্জা, রেসিং কার জাতীয় গেইমগুলোর পাশপাশি জিটিএ, এনএফএস আসফ্যালহাট ৮ সহ অন্যান্য হাই গ্রাফিক্স গেইমগুলো চলবে চমৎকার ভাবে।

One Plus 3 ওয়ান প্লাস এর ক্যামেরা কোয়ালিটি

ওয়ান প্লাস ৩ এর রিয়ার সাইডে ক্যামেরা রেজুলেশন ১৬ মেগাপিক্সেল যা f/2.0 এপার্চার সম্পন্ন এবং অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন ফিচার সমৃদ্ধ । রয়েছে অটো  ফোকাস সিস্টেম ।

ম্যানুয়ালি ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারন করতে পারবেন ম্যানুয়াল মুড এ গিয়ে যা একটি চমৎকার ফিচার ।

ইমেজ কালার কোয়ালিটি , কালার এডজাস্ট , স্যাচুরেশন এডজাস্ট অসাধারণ । ভিডিও কোয়ালিটি অসাধারণ এবং সম্পূর্ণ 4K সাপোর্টেড ।

ফেইস বিউটি, জিআইএফ শট, জেশ্চার, এইচডিআর, প্যানােরমা, সেলফ টাইমার ও ফেইস ডিটেকশনসহ বিভিন্ন ফিচারে পরিপূর্ণ ক্যামেরা অপশন।

ভিডিওয়ের ক্ষেত্রে থাকছে ৭২০পি, ১০৮০পি ও ৪কে সুবিধা।

 ব্যাটারি

তিন হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের নন-রিমুভেবল ব্যাটারি ওয়ান প্লাস থ্রি ডিভাইসটির জন্য সন্তোষজনক নয়

 

One Plus 3 ওয়ান প্লাস এর সম্পর্কে আমার মতামতঃ

 

সকল কিছু যাচাই করে যদি আমরা আরেকবার দেখি তবে আমার মতে , এর মেটা ডিজাইন আমার কাছে অসাধারণ লাগে এবং আশা করি আপনারও ভালো লাগবে , ডিসপ্লে কোয়ালিটি ভালো , পারফর্মেন্স হিসবে ৬ গিগাবাইট র‍্যাম অসাধারণ ফাস্ট কাজ করে , ফিঙ্গারপ্রিন্ট রিডার ও ফাস্ট কাজ করে ।

ড্যাশ চার্জিং ফিচারটি আরো অসাধারণ লাগে আমার কাছে তবে হ্যা ডিসপ্লে কোয়ালিটি কোয়াড এইচডি হলে ভালো হত ।

নন এক্সপান্ডেবল স্টোরেজ সিস্টেম না থাকলে আরো ভালো হত  ৬৪ গিগাবাইট  স্টোরেজ প্রি লোডেড আছে ।

মেমরি কার্ডে স্লট না থাকা কিংবা অধিক চাপে গরম হওয়াসহ কিছু বিষয় ছাড়া যারা দীর্ঘস্থায়ীভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারে আগ্রহী তাদের জন্য এ ডিভাইস একটি ভালো অপশন হতে পারে।

নিচে এর সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন দেয়া হল-

 

OnePlus 3
Display 5.5-inch Optic AMOLED display
1920 x 1080 resolution, 401ppi
Gorilla Glass 4
Processor Quad-core Qualcomm Snapdragon 820
Kryo: 2x 2.2 GHz, 2x 1.6 GHz
GPU Adreno 530
RAM 6GB, LPDDR4
Storage 64GB
MicroSD No
Cameras Rear camera: 16MP Sony IMX 298 sensor with PDAF, 1.12μm, OIS, EIS, f/2.0
Front camera: 8MP Sony IMX 179 sensor with 1.4μm, EIS, f/2.0
Software OxygenOS based on Android 6.0.1 Marshmallow
Sensors Fingerprint, Hall, Accelerometor, Gyroscope, Proximity, Ambient Light and Electronic Compass
Ports USB 2.0, Type-C
Dual nano-SIM slot
3.5 mm audio jack
Connectivity GSM: 850, 900, 1800, 1900 MHz
North America model: WCDMA: Bands 1/2/4/5/8 FDD-LTE: Bands 1/2/4/5/7/8/12/17 CDMA EVDO: BC0
Europe/Asia model: WCDMA: Bands 1/2/5/8
FDD-LTE: Bands 1/3/5/7/8/20
TDD-LTE: Bands 38/40/41
NFC Yes
Audio Speakers: Bottom-facing speaker
Microphones: Dual-microphone with noise cancellation
Battery Non-removable 3,000mAh
Dash Charge (5V 4A)
Materials and colors Materials: anodized aluminum
Colors: Graphite, Soft Gold (Available shortly after launch)
Dimensions and weight 152.7 x 74.7 x 7.35mm
5.57oz (158g)
Summary
ওয়ান প্লাস ৩ (One Plus 3)  রিভিউ
Article Name
ওয়ান প্লাস ৩ (One Plus 3) রিভিউ
Description
ওয়ান প্লাস ৩ (One Plus 3) রিভিউ দেয়ার আগে একটি কথা না বললেই নয়, সেটি হল এর নজরকাড়া ডিজাইন, দ্রুত চার্জিং অপশন , মোবাইল পেমেন্টের জন্য এনএফসি ফাংসান, যা শুধু প্রিমিয়াম ডিভাইস স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ ও এইচটিসি ১০ এমনকি আইফোন ৬এস এর সঙ্গে লড়াই করে বাজারে টিকে থাকতে সক্ষম হয়েছে।
Author
Publisher Name
http://productreviewbd.com/

Comments

comments

Join the discussion

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।