শ্যাম্পু করার নিয়ম: শ্যাম্পু করার সময় কোন ভুল হচ্ছে না তো!

শ্যাম্পু করার নিয়ম !! মনে হতে পারে যে, শ্যাম্পু করাটা একটি সহজ কাজ । এতে শেখার তেমন কিছু নেই। কিন্তু সত্যি হল, এই শ্যাম্পু করার নিয়ম ও মেনে করা দরকার। আমাদের  ব্যস্ত জীবনে  প্রায় দেখা যায় যে সময়ের অভাবে আমরা অল্প সময় নিয়ে তাড়াহুড়া করা কোন রকমে চুল শ্যাম্পু করি যা আসলে ঠিক নয়।

চুল পরিষ্কার করা আমদের একটি নিয়মিত কাজ। যারা প্রতিদিন বাইরে বের হই এই ধুলা ময়লার শহরে দেখা যায় অনেকেই প্রতিদিন শ্যাম্পু করি। প্রতিদিন শ্যাম্পু করার কিছু ভাল দিক যেমন আছে আবার খারাপ দিকও আছে। প্রতিদিন শ্যাম্পু করার ফলে অনেকের মাথার ত্বক তৈলাক্ত হয়ে ওঠে আবার অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে।

তাই আসুন চুল শ্যাম্পু করার নিয়ম (সঠিক) কানুন জেনে নেই। জেনে নেই শ্যাম্পু করার সময় কি করব আর কি করব না।

%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%ae-productreviewbd

যা করবেন

       প্রতিদিন শ্যাম্পু না করে ২ দিন অন্তর শ্যাম্পু  করুন। এতে মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা ত্বকের তৈলাক্ত ভাব বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। আবার চুলের উজ্জ্বলতাও ঠিক থাকবে।

       শ্যাম্পু করার মাঝে খুব বেশী দিন গ্যাপ দেয়াও ঠিক নয়। এতে ময়লা জমে চুল রুক্ষ হয়ে যাবে  আবার চুল  পড়া সহ  নান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

       আপনার চুলের স্বাস্থ্যে ও ধরণ বুজে সঠিক ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু বাছাই করুন ।

       শ্যাম্পু করার আগে চুল আঁচড়ে নিন ও পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিবেন।

       শ্যাম্পু করার সময় নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি  নির্দিষ্ট পরিমাণ শ্যাম্পুর সাথে মিক্স করে ব্যবহার করুন যাতে  ফেনা বেশী হয় আর চুলের গোঁড়ায় শ্যাম্পু ভালোভাবে যায় ।

       ফেনাযুক্ত  চুল হালকা ভাবে আস্তে আস্তে ঘস্তে থাকুন আর আঙ্গুলের ডগা দিয়ে ঠিকঠাক মাসাজ করুন। ১৫ মিনিট আঙুল এর ডগা দিয়ে ধীরে ধীরে মাজাস করুন। এভাবে শ্যাম্পু করলে        আপনার মাথার তালুতে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার হবে।

       মোটা দাতেঁর চিরুনি দিয়ে চুল আস্তে আস্তে আঁচড়াবেন যাতে চুলের সাথে জমে থাকা ময়লা উঠে যায় ।

       শ্যাম্পু করার জন্য অবশ্যই অবশ্যই  সবসময় ঠান্ডা পানি দিয়ে করবেন। গরম পানি আপনার চুলের গোঁড়া নরম করে ফেলে চুল পড়া সমস্যা  তৈরি করবে।

       দরকার হলে একই সাথে ২য় বার শ্যাম্পু করুন। তবে ২য় বার শ্যাম্পু করা ভাল কারণ, চুলের গোঁড়ায় মাসাজের ফলে সিবাম নামক এক ধরণের তেল বের হয় যা ২য় বার শ্যাম্পুর ফলে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

       চুলকে উজ্জ্বল,  নরম আর ফুরফুরে রাখতে শ্যাম্পু্র করার পর কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। অবশ্যই ব্রান্ডের বিশ্বস্ত কন্ডিশনার চুলে হালকা ভাবে লাগিয়ে একটু সময় অপেক্ষা করে ডাণ্ডা ও বেশী পরিমাণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

       ভিজা চুল বেশিক্ষন রাখবেন না। চুল মোছার জন্য পরিস্কার নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন ।

       যতটা কম সম্ভব হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন। ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নেয়াটাই  সবচেয়ে ভাল ।

 

যা করবেন না

       শ্যাম্পু করার আগে অনেকেই চুলে তেল মাসাজ করেন এটা ভাল তবে আপনার চুলে যদি অনেক ময়লা থাকে তবে তেল দিবেন না । এতে চুলে ময়লা আরও আটকে থাকবে।

        চুল শ্যাম্পু করার আগে ভালোভাবে নয়া ভিজিয়ে শুকনো চুলে শ্যাম্পু করবেন না।

       মাথার ত্বক জোরে জোরে ঘষবেন না।

       কন্ডিশনার চুলের গোঁড়ায় না দিয়ে আগার দিকে দিবেন । এটি যেহেতু চুল নরম করে তাই গোঁড়ায় লাগালে চুল এর গোড়াও নরম হয়ে যেতে পারে।

       তোয়ালে দিয়েও চুল জোরে জোরে ঘষবেন না।

       চুল থেকে চুল শুকানর জন্য চুল ঝাড়বেন না ।

       ভেজা চুল না আছড়ানোই ভাল।

সঠিক ভাবে ভাল মানের শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করুন। তফাৎ তা আপনি নিজেই বুজতে পারবেন।

 

Comments

comments

Join the discussion

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।