মোটর বাইক চালানোর সময় আপনার কি কি পরিধান করা উচিৎ

মোটর বাইক চালানোর সময় আপনার কি কি পরিধান করা উচিৎ

মোটর বাইক চালানোর সময় অনেক মোটর সাইকেল আরহীরাই জানে না যে মোটর বাইক চালানোর সময় কি কি পরিধান করা উচিৎ .

 লাস্ট যখন আপনি রাস্তায় পড়ে গেছেন মনে করে দেখুন তো কোথায় কোথায় সবচেয়ে বেশী লেগেছে। হয়ত হাত বা হাঁটু। আর আপনি যদি খুব জোরে বাইক চালানোর সময় দুর্ঘটনা ঘটে তবে এর পরিমাণ আরও বাড়বে। আমি কিন্তু আপনাকে বাইক চালানোতে ভয় দেখাচ্ছি না বরং সাবধান করছি । আর এই সাবধানতা থেকেই কিভাবে ভাল প্রতিরক্ষা নেবেন সেই পরামর্শ দিচ্ছি।

কোথায় পাবেন : http://akhoni.com/ 

যারা মোটর বাইক চালান তারা দুই শ্রেণীর ১) যাদের দুর্ঘটনা হয়েছে আর ২) যাদের দুর্ঘটনা হয়নি।

তবে বাইকে মোটামুটি সবাই ক্রাশ করে। কম আর বেশী আজ নয়তো কাল। তবে যারা আস্তে চালান তাদের ক্ষতির পরিমাণ কম হয়। আর অন্য যারা খুব জোরে চালান তাদের হাড় ভাঙ্গে নয়তো অন্য কোথাও ব্যথা পান। তবে, গাড়ি চালানোর চেয়ে মোটর বাইক চালানো কিন্তু বেশী বিপদজনক। কারণ গাড়িতে আপনার চারিদিকে অনেক বেশী প্রতিরক্ষা  থাকে আপনাকে রক্ষা করার জন্য।

কিন্তু মোটর বাইকে আপনার প্রতিরক্ষা আপনিই যা পড়বেন শুধু মাত্র তাই । মোটর বাইকের গিয়ার আপনাকে কিন্তু প্রতিরক্ষা দেবে না। আর এজন্যই মোটর বাইক চালানোর সময় কি কি নির্ধারিত পোশাক যা আপনাকে প্রতিরক্ষা  দবেব যা আপনার অবশ্যই দরকার  তা নিয়েই আমরা আজকে লিখব ।

হেলমেট

হেলমেট আপনার শরীরের সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ অংশ রক্ষা করে। আপনার ব্রেইন আপনার মুখ মণ্ডল। আপনার ব্রেইন যদি ঠিক না থাকে তবে বাকি জীবনটাই বৃথা তাই নয় কি? আর ব্যবহারের জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর স্টাইলিশ হেলমেট পাওয়া যায় আজকাল।

helmet-productreviewbd

আর হেলমেট কেনার সময় এমন হেলমেট নিবেন যা দিয়ে পুরো মুখ ঢাকা যায় । এক্সিডেন্টের সময় মাথায় আঘাত লাগার সম্ভাবনা অনেক বেশী । আর দুর্ঘটনার সময় যদি আপনার হেলমেট না থাকে তবে আপনার মুখ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই হেলমেট যেন অবশ্যই পড়বেন মোটর বাইক চালানোর সময়।

গ্লভস

এটা স্বাভাবিক যে আপনি যদি পড়ে যান তবে হাত দিয়েই নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করবেন। আর মোটর বাইক দুর্ঘটনায়ও আপনি সেটাই করবেন। তাই হাতকে রক্ষার জন্য গ্লভসের কোন তুলনা নেই।

gloves-productreviewbd

সব সময় মোটর বাইকের জন্য নির্ধারিত গ্লভস নিবেন যা আপনার রিস্ট ও ঢেকে দেবে । তাই যেকোনো দুর্ঘটনায় ছিড়ে গেলেও আপনার গ্লভস ছিঁড়বে আপনার হাতের ত্বক নয়।

জ্যাকেট

শুধুমাত্র দেখতে খুব ভাল লাগবে এজন্য নয় রাস্তায় চলার সময় মোটর  বাইকে নিরাপদে  আপনার শরীর রাখার জন্য যখন আপনি প্রতি ঘন্তায় ৫০ কিমি বেগে চলছেন তাই জ্যাকেট খুবই জরুরী। যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে আপনার শরীর রোলিং করার সম্ভাবনা খুব বেশী । আপনি তো নিশ্চয় চান আপনার শরীরের চামড়া অক্ষত থাকুক। আপনার সছরের হাড়চগুলি অক্ষত থাকুক। তাই খুব গরম লাগলেও জ্যাকেট পড়তে ভুলবেন না। কিন্তু শরীর থেকে রক্ত বের হওয়ার চেয়ে ঘাম হওয়া কি শ্রেয় নয় ।
jacket-productreviewbd

অনেক ধরণের জ্যাকেট পাওয়া যায়। লেদার, টেক্সটাইল, মেশ, বা মিশ্র -সে যাইহোক মোটর বাইকের জ্যাকেট হলেই হবে। কিন্তু নকল মোটর বাইক জ্যাকেট নিবেন না। হয়ত সেটা আসল চামড়ার তৈরি কিন্তু অনেক পাতলা যা মোটর বাইক চালানোর সময় পড়ার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই ১.২ থেকে ১.৪ মিমি পুরুত্ত বিশিষ্ট জ্যাকেট পড়ুন মোটর বাইক চালানোর সময়।

বুট : পায়ের এংকেল প্রতিরক্ষা করার জন্য মোটর বাইকের জন্য নির্ধারিত বুট পড়ুন। যারা মোটর সাইকেলের গিয়ার তৈরি করে এরকম কিছু প্রস্তুতস্কারক মোটর বাইক চালানোর সময় পড়ার জন্য বিশেষ বুট ও তৈরি করে। এসব বুটে অনেক ধরণের প্রটকসান থাকে যা আপনার পায়ের এঙ্কেল রক্ষা করবে। এর সাথে সাথে পায়ের পাতাও।

মোটর বাইক চালানোর সময় আপনার কি কি পরিধান করা উচিৎ

প্যান্টস ঃ এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। আমি জানি অধিকাংশ চালক ই মোটর বাইক চালানোর সময়  মোটর বাইক চালানোর জন্য নির্ধারিত প্যান্ট পরেন না। এটা আসলে আপনার ভাল লাগবে না যে টেক্সটাইলের বা লেদারের মোটর বাইক প্যান্ট পড়তে। বা আপনি যে প্যান্ট পড়েছেন তার উপর এই প্যান্ট পড়তে।মোটর বাইকের জন্য জিন্সের প্যান্ট পাওয়া যায় না।

কিন্তু জিন্স কিন্তু আপনাকে মোটর বাইক দুর্ঘটনায় খুব বেশী প্রতিরক্ষা দেবে না  । এটা একটা টি শার্ট যত সহজে ছিড়ে যাবে এটাও ঠিক সেভাবে অল্পতেই ছিড়ে যাবে।

আপনি চিন্তা করে দেখুন, যদি আপনি মোটর বাইক নিয়ে এক্সিডেন্ট করেন তাহলে আপনার শরীরের নীচের অংশ ক্রাশ হওয়ার সম্ভাবনা সচেয়ে বেশি। তাই যতদূর সম্ভব প্রতিরক্ষা নেয়াই কি ভাল নয়?

বাইক চালানোর সময় অবশ্যই এসব প্রতিরক্ষা নিয়ে রাস্তায় নামবেন।

See it in here : akhoni.com

Comments

comments

Join the discussion

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।